দ্রুত • মোবাইল-ফ্রেন্ডলি • বাংলা/ইংরেজি
জেলা লোগো
টিপটপটিপটপ ডিভিশন
টিপটপ
যুক্ত হোন
কেনা-বেচা
সাইন ইনযোগ দিন/সাইনআপ
জেলা লোগোটিপটপ
যুক্ত হোনকেনা-বেচা
প্রতিষ্ঠানসমূহস্থান ঘুরে দেখুনচাকরিপ্রাইভেট টিউশন
নাগরিক আপডেটLIVEসংবাদ আপডেটভিডিও সংবাদ
সাইন ইনযোগ দিন/সাইনআপ
লোড হচ্ছে...

লোড হচ্ছে...

টিপটপ ডিভিশন

আপনার জেলার স্থান, মানুষ, তথ্য, চাকরি ও বাজার

সংক্ষিপ্ত লিংক

  • আমাদের সম্পর্কে
  • সেবাসমূহ
  • প্রযুক্তিগত কাঠামো

সহায়তা

  • সাধারণ জিজ্ঞাসা
  • যোগাযোগ করুন

আইনগত

  • গোপনীয়তা নীতি
  • পরিষেবার শর্তাবলী
  • দাবিত্যাগ

© 2026 টিপটপ ডিভিশন. সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

♥আপনার বিভাগের মানুষের এর জন্য নির্মিত

ঢাকার স্থানগুলি দেখুন

স্বাগতম টিপটপ ডিজিটাল ইকোসিস্টেমে

স্থান, মানুষ, বাজার ও তথ্য সহজে খুঁজুন।

স্থান ঘুরে দেখুনচাকরি

দরকারি সেবা দ্রুত খুঁজুন

জায়গা, চাকরি, টিউশন, বেচাকেনা ও আপডেট—এক জায়গায়।

প্রাইভেট টিউশন

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের জন্য টিউশন

প্রোফাইলসমূহ

এলাকার মানুষ ও পেশাজীবীদের খুঁজুন

স্থান ঘুরে দেখুন

বিস্তারিত দেখুন →
চট্টগ্রাম বন্দর
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম বন্দর

চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্গত একটি প্রধান সমুদ্রবন্দর। এটি দেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রধান প্রবেশদ্বার এবং দেশের অর্থনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী একটি সামুদ্রিক বন্দর। একনজরে • ধরন: সমুদ্রবন্দর • কার অধীনে পরিচালিত: চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের সিংহভাগ পরিচালনা করে। ঐতিহাসিক কাল থেকেই এই বন্দর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। বঙ্গোপসাগরের উপকূলে কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত এই বন্দরটি দেশের আমাদানি ও রপ্তানি কার্যক্রমের মূল প্রাণকেন্দ্র। দেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য যেমন তৈরি পোশাক এবং আমদানিকৃত নানা ধরনের পণ্য এই বন্দরের মাধ্যমেই আনা-নেয়া করা হয়। এই বন্দরের আশপাশে কর্ণফুলী নদী এবং শাহ আমানত সেতু অবস্থিত। বন্দর এলাকা এবং এর আশপাশ থেকে কর্ণফুলী নদীর ব্যস্ত কার্যক্রম ও জলপথের দৃশ্য দেখা যায়। চট্টগ্রাম বন্দর নগরীর বিভিন্ন স্থান থেকে সড়কপথে সহজেই যাতায়াত করা যায়। ঢাকা বা দেশের অন্যান্য অঞ্চল থেকে ট্রেন, বাস বা বিমানে চট্টগ্রাম শহরে পৌঁছে রিকশা, সিএনজি অটোরিক্সা বা ট্যাক্সিযোগে বন্দর এলাকায় যাওয়া সম্ভব।

00
মহামায়া লেক
মীরসরাই, চট্টগ্রাম

মহামায়া লেক

মহামায়া লেক বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার মীরসরাই উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নে অবস্থিত একটি কৃত্রিম হ্রদ। এটি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম কৃত্রিম হ্রদ এবং কায়াকিংপ্রেমী ও প্রকৃতি পর্যটকদের কাছে অন্যতম জনপ্রিয় অবকাশ যাপন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। একনজরে • ধরণ: কৃত্রিম হ্রদ • আয়তন: প্রায় ১১ বর্গকিলোমিটার • পরিচালনা: বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং স্থানীয় ব্যবস্থাপনা • জেলা সদর থেকে দূরত্ব: চট্টগ্রাম জেলা সদর থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার উত্তরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাছাকাছি মহামায়া লেক মূলত সেচ প্রকল্প ও পানি সম্পদ উন্নয়নের জন্য মহামায়া খালের ওপর বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে গড়ে তোলা হয়েছে। পরবর্তীতে এর অপার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং পাহাড়ি খাস ও ঝরনার কারণে এটি একটি আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়। এখানে ঘুরতে এসে পর্যটকরা হ্রদের স্বচ্ছ জলে নৌকা বা কায়াকিং করার সুযোগ পান। লেকের চারপাশের পাহাড়ি পথ ধরে ট্র্যাকিং করা যায় এবং এখানে একটি সুন্দর ঝরনা রয়েছে। বর্ষাকালে এই ঝরনার রূপ আরও বেশি আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। আশপাশে ছোট বড় পাহাড়, সবুজ বনাঞ্চল এবং মহামায়া রাবার ড্যাম এই এলাকার প্রধান ল্যান্ডমার্ক। ঢাকা বা চট্টগ্রাম থেকে সড়কপথে খুব সহজেই এখানে আসা যায়। ঢাকা বা চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে যাওয়া যেকোনো মীরসরাইগামী বা সীতাকুণ্ডগামী বাসে চড়ে ঠাকুরদিঘী বাজার নামতে হবে। সেখান থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় চড়ে সরাসরি মহামায়া লেক প্রকল্পে পৌঁছানো সম্ভব।

00
নেভাল সি বীচ
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, চট্টগ্রাম

নেভাল সি বীচ

নেভাল সি বীচ বাংলাদেশের চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পতেঙ্গা এলাকায় অবস্থিত একটি মনোরম সমুদ্র সৈকত। এটি বঙ্গোপসাগরের মোহনায় অবস্থিত এবং পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতের তুলনামূলক শান্ত ও কম জনবহুল বিকল্প হিসেবে পরিচিত। একনজরে • ধরন: সমুদ্র সৈকত • অবস্থান: পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, চট্টগ্রাম • ব্যবস্থাপনা: বাংলাদেশ নৌবাহিনী এই সৈকতটি মূলত বাংলাদেশ নৌবাহিনীর নিয়ন্ত্রনাধীন একটি সংরক্ষিত এলাকা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে। পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতের মূল ভিড় থেকে দূরে যারা একটু শান্ত পরিবেশে সময় কাটাতে চান, তাদের কাছে এই স্থানটি বেশ জনপ্রিয়। কর্ণফুলী নদী যেখানে বঙ্গোপসাগরে মিশেছে, এই সৈকতটি তার কাছাকাছি এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় এখান থেকে সমুদ্রের বিশালতা এবং জলযানের চলাচল খুব ভালোভাবে উপভোগ করা যায়। এখানে ঘুরতে এলে দর্শনার্থীরা সমুদ্রের ঢেউয়ের গর্জন শোনার পাশাপাশি মৃদু বাতাসে সময় কাটাতে পারেন। বিকেলে সূর্যাস্তের দৃশ্য দেখার জন্য এটি একটি চমৎকার জায়গা। সৈকতের আশপাশে নৌবাহিনীর বিভিন্ন স্থাপনাসহ পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত এবং শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর অবস্থিত। চট্টগ্রাম শহরের যে কোনো প্রান্ত থেকে বাস, সিএনজি চালিত অটোরিকশা বা ব্যক্তিগত গাড়িতে চড়ে পতেঙ্গা হয়ে নেভাল সি বীচ এ যাওয়া যায়। জিরো পয়েন্ট বা জিইসি মোড় থেকে পতেঙ্গাগামী বাস বা সিএনজি পাওয়া যায়, যা সরাসরি সৈকত বা এর কাছাকাছি পৌঁছে দেয়।

00

প্রতিষ্ঠানসমূহ

বিস্তারিত দেখুন →

সর্বশেষ বেচাকেনা

বিস্তারিত দেখুন →

সর্বশেষ টিউশন

বিস্তারিত দেখুন →

সর্বশেষ চাকরি

বিস্তারিত দেখুন →