দ্রুত • মোবাইল-ফ্রেন্ডলি • বাংলা/ইংরেজি
জেলা লোগো
টিপটপটিপটপ ডিভিশন
টিপটপ
যুক্ত হোন
কেনা-বেচা
সাইন ইনযোগ দিন/সাইনআপ
জেলা লোগোটিপটপ
যুক্ত হোনকেনা-বেচা
প্রতিষ্ঠানসমূহস্থান ঘুরে দেখুনচাকরিপ্রাইভেট টিউশন
নাগরিক আপডেটLIVEসংবাদ আপডেটভিডিও সংবাদ
সাইন ইনযোগ দিন/সাইনআপ
  1. হোম
  2. স্থান ঘুরে দেখুন
লোড হচ্ছে...

লোড হচ্ছে...

টিপটপ ডিভিশন

আপনার জেলার স্থান, মানুষ, তথ্য, চাকরি ও বাজার

সংক্ষিপ্ত লিংক

  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ করুন
  • প্রযুক্তিগত কাঠামো
  • সেবাসমূহ

আইনগত

  • গোপনীয়তা নীতি
  • পরিষেবার শর্তাবলী
  • দাবিত্যাগ

© 2026 টিপটপ ডিভিশন. সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

♥আপনার বিভাগের মানুষের এর জন্য নির্মিত

রূপনগর
ঢাকা

রূপনগর

ঢাকার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত রূপনগর যেন এক দ্রুত বর্ধনশীল ইট-পাথরের অরণ্য, যা মূলত মিরপুরের অংশ হিসেবেই বৃহত্তর পরিচিতি পায়। ভৌগোলিকভাবে তুরাগ নদের কাছাকাছি হওয়ায় এই এলাকাটি একদিকে যেমন নগরায়ণের স্রোতে গা ভাসিয়েছে, অন্যদিকে এর চারপাশের জলাশয় ও খোলা আকাশ একে দিয়েছে এক বিশেষ প্রাণচাঞ্চল্য। স্থানীয় মানুষের কাছে এটি 'নতুন মিরপুর' বা মিরপুরের বর্ধিত অংশ হিসেবেও বেশ পরিচিত। পরিকল্পিত আবাসিক এলাকার ছোঁয়া লাগায় এখানে গড়ে উঠেছে সারিবদ্ধ অট্টালিকা, যা একদা নিভৃত নিসর্গ থেকে আজকের ব্যস্ত জনপদে রূপান্তরের গল্প বলে। রূপনগরের প্রাণকেন্দ্রে রয়েছে রূপনগর আবাসিক এলাকা, যা তার সুশৃঙ্খল পরিবেশের জন্য পরিচিত। এখানকার বাসিন্দাদের নিত্যদিনের চাহিদা মেটাতে রূপনগর বাজার বেশ জনপ্রিয়, যেখানে পাওয়া যায় টাটকা শাকসবজি থেকে শুরু করে গৃহস্থালির যাবতীয় উপকরণ। বিনোদনের জন্য কাছেই রয়েছে জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান বা বোটানিক্যাল গার্ডেন এবং চিড়িয়াখানা, যা এই এলাকার বাসিন্দাদের জন্য এক টুকরো সবুজের আশ্রয়। সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার কথা বললে, প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক নির্মলেন্দু গুণ একসময় এই এলাকার নিভৃত আবাসে শিল্পের চর্চা করেছেন, যা রূপনগরকে দিয়েছে এক অনন্য সাহিত্যিক আভিজাত্য। যদিও যান্ত্রিক নগরায়ন ও ক্রমবর্ধমান যানজট এই এলাকার চিরচেনা শান্ত রূপকে কিছুটা আড়াল করেছে, তবুও রূপনগর আজ ঢাকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও আধুনিক নাগরিক জনপদ হিসেবে স্বমহিমায় উজ্জ্বল।

00
ইসলামবাগ
ঢাকা

ইসলামবাগ

ইসলামবাগ ঢাকার লালবাগ থানা এলাকার অন্তর্গত একটি অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ ও বাণিজ্যিক এলাকা, যা মূলত বুড়িগঙ্গা নদীর তীর ঘেঁষে গড়ে উঠেছে। এটি পুরান ঢাকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্পকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত, বিশেষ করে চামড়াজাত পণ্য, প্লাস্টিক সামগ্রী এবং বিভিন্ন ধরনের কুটির শিল্পের জন্য এলাকাটি দেশজুড়ে সমাদৃত। ভৌগোলিকভাবে ইসলামবাগ বুড়িগঙ্গার কোলঘেঁষে অবস্থিত হওয়ায় ঐতিহাসিকভাবেই এখানে নৌপথে পণ্য পরিবহন ও বাণিজ্যের প্রসার ঘটেছে। এলাকাটির অলিগলি সরু এবং বসতির ঘনত্ব অত্যধিক হলেও এর প্রাণচাঞ্চল্য সবসময়ই তুঙ্গে থাকে। এলাকাটির অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর বিশাল পাইকারি বাজার, যেখানে প্লাস্টিক ও চামড়ার পণ্যের পাইকারি কেনাবেচা হয়। এখানকার উল্লেখযোগ্য স্থাপনাগুলোর মধ্যে রয়েছে স্থানীয় মসজিদ ও ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো, যা জনবসতির কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থিত। ইসলামবাগ এলাকায় অতীতে চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা বা ট্যানারিগুলোর ব্যাপক উপস্থিতি ছিল, তবে পরিবেশগত ও সরকারি সিদ্ধান্তের কারণে পরবর্তীতে অধিকাংশ ট্যানারি সাভারে স্থানান্তরিত হয়েছে। বর্তমানে এই স্থানটি মূলত ছোট-বড় কারখানা এবং গুদামের সমন্বয়ে একটি ব্যস্ত বাণিজ্যিক হাব হিসেবে টিকে আছে। এলাকাটি পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির সাথে আধুনিক বাণিজ্যিক জীবনের এক অনন্য মিশেল বহন করে।

00
গেন্ডারিয়া
ঢাকা

গেন্ডারিয়া

পুরান ঢাকার দক্ষিণ প্রান্তে বুড়িগঙ্গা নদীর কোল ঘেঁষে গড়ে ওঠা গেন্ডারিয়া এলাকাটি যেন ইতিহাসের এক জীবন্ত দলিল। একসময়ের অভিজাত এই জনপদটি আজও তার পুরনো দিনের আভিজাত্য আর সরু গলির গোলকধাঁধায় নিজের স্বকীয়তা ধরে রেখেছে। ব্রিটিশ আমলে এটি ছিল ঢাকার অন্যতম পরিকল্পিত ও আধুনিক আবাসিক এলাকা, যা আজও তার চমৎকার স্থাপত্যশৈলী আর পুরনো দালানগুলোর মাধ্যমে অতীতের গল্প বলে। এলাকাটির ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এখানকার যাতায়াত ব্যবস্থা যেমন সহজ, তেমনি এখানকার অলিগলিতে মিশে আছে শত বছরের ঐতিহ্য। ধূপখোলা মাঠ, যা গেন্ডারিয়ার প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত, তা শুধু খেলার মাঠ নয়, বরং স্থানীয়দের আড্ডা আর সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের এক মিলনমেলা। গেন্ডারিয়ার নামের সাথে জড়িয়ে আছে ঐতিহাসিক 'গেন্ডারিয়া হাই স্কুল' এবং এখানকার বিখ্যাত 'শ্রী শ্রী সাধনা ঔষধালয়', যা আয়ুর্বেদিক চিকিৎসার এক অনন্য প্রতিষ্ঠান। এই এলাকাটি বিখ্যাত ছিল এখানকার সুস্বাদু আখের জন্য, যা থেকেই মূলত 'গেন্ডারিয়া' নামের উৎপত্তি বলে জনশ্রুতি রয়েছে। প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের শৈশবের একটি বড় সময় কেটেছে এই এলাকায়, যা তার লেখায় বিভিন্নভাবে উঠে এসেছে। সাম্প্রতিক সময়ে গেন্ডারিয়া তার পুরনো ঐতিহ্য বজায় রেখেই আধুনিক নাগরিক সুযোগ-সুবিধায় নতুন রূপ পেয়েছে। ধূপখোলা মাঠের উন্নয়ন প্রকল্প এবং এখানকার পুরনো স্থাপত্যগুলো সংরক্ষণের দাবি স্থানীয়দের মধ্যে বরাবরই আলোচনার বিষয়। ব্যস্ত এই এলাকাটি এখনও তার নিজস্ব ছন্দ আর আভিজাত্যে ঢাকার অন্যতম আকর্ষণীয় ও গুরুত্বপূর্ণ একটি জনপদ।

00
পান্থপথ
ঢাকা

পান্থপথ

পান্থপথ ঢাকার অন্যতম ব্যস্ত এবং গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও আবাসিক এলাকা, যা মূলত ধানমন্ডি ও কারওয়ান বাজারের সংযোগস্থলে অবস্থিত। ভৌগোলিকভাবে এটি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আওতাভুক্ত একটি এলাকা, যা শহরের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এই এলাকাটি তার সুপ্রশস্ত রাস্তা এবং আধুনিক বহুতল ভবনের জন্য পরিচিত, যেখানে অসংখ্য বেসরকারি হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, শপিং মল এবং কর্পোরেট অফিস গড়ে উঠেছে। পান্থপথের উল্লেখযোগ্য স্থাপনাগুলোর মধ্যে 'বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স' অন্যতম, যা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ শপিং মল হিসেবে স্বীকৃত। এছাড়া স্কয়ার হাসপাতাল ও শমরিতা হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলো এখানে অবস্থিত হওয়ায় এলাকাটি চিকিৎসা সেবার একটি প্রধান কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। পান্থপথ এলাকাটি মূলত তার নাগরিক কোলাহল এবং আধুনিক জীবনযাত্রার জন্য পরিচিত। এখানে কোনো ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থান না থাকলেও এটি ঢাকা শহরের যাতায়াত ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ বিন্দু। এই এলাকার মূল সড়কটি পান্থপথ রোড নামে পরিচিত, যা একসময় 'পান্থপথ' নামেই স্থায়ী রূপ পায়। স্থানীয়ভাবে অনেকে একে কারওয়ান বাজার বা ধানমন্ডির বর্ধিত অংশ হিসেবেও গণ্য করেন। বর্তমানে এই এলাকাটি বিভিন্ন আধুনিক ক্যাফে, রেস্তোরাঁ এবং কর্মব্যস্ত মানুষের আনাগোনার জন্য ঢাকার অন্যতম প্রাণবন্ত একটি জনপদ হিসেবে বিবেচিত হয়।

00
নান্নার ইউনিয়ন
ধামরাই, ঢাকা

নান্নার ইউনিয়ন

ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক অঞ্চল হলো নান্নার ইউনিয়ন। সমতল ভূমি ও কৃষিপ্রধান এই অঞ্চলটি তার প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং গ্রামীণ ঐতিহ্যের জন্য পরিচিত। ধামরাই উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়নের মতোই নান্নার ইউনিয়নের জনজীবন মূলত কৃষিভিত্তিক, যেখানে ধান ও রবিশস্যের চাষাবাদ প্রধান। এখানকার যোগাযোগ ব্যবস্থা ধামরাই সদর ও পার্শ্ববর্তী এলাকার সঙ্গে মোটামুটি উন্নত, যা স্থানীয়দের দৈনন্দিন যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনে বিশেষ ভূমিকা রাখে। এই ইউনিয়নের উল্লেখযোগ্য স্থাপনার মধ্যে রয়েছে স্থানীয় বাজারগুলো, যা এলাকার মানুষের কেনাকাটা ও সামাজিক যোগাযোগের প্রাণকেন্দ্র। নান্নারে ঐতিহ্যবাহী কিছু মসজিদ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে যা স্থানীয় সংস্কৃতি ও শিক্ষার প্রসারে ভূমিকা রাখছে। যদিও এলাকাটি খুব বেশি পর্যটনকেন্দ্রিক নয়, তবে এর নির্মল গ্রামীণ পরিবেশ এবং ফসলের মাঠ ভ্রমণপিপাসুদের জন্য প্রশান্তিদায়ক। সাম্প্রতিক সময়ে এই অঞ্চলে আধুনিক যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়ন ও শিক্ষা বিস্তারে নতুন নতুন উদ্যোগ লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা ইউনিয়নটির সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক অবস্থার পরিবর্তনে সহায়ক হচ্ছে। স্থানীয় পর্যায়ে বেশ কিছু সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব ও সমাজসেবী এই অঞ্চলের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন, যারা নান্নারকে একটি সমৃদ্ধ জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে নিরলস কাজ করছেন।

00
শ্যামলী
ঢাকা

শ্যামলী

ঢাকার প্রাণকেন্দ্র মিরপুরের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত শ্যামলী এক চিরচেনা ব্যস্ততার জনপদ। ভৌগোলিকভাবে এটি আদাবর ও মিরপুর থানার সংযোগস্থলে অবস্থিত, যা ঐতিহাসিকভাবে ঢাকা শহরের আবাসিক ও বাণিজ্যিক বিস্তারের এক গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী। একসময় শান্ত ও ছায়াঘেরা পরিবেশের জন্য পরিচিত হলেও, বর্তমানে এটি বহুতল ভবন, বিপণিবিতান এবং অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এক ঘনবসতিপূর্ণ প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। শ্যামলী সিনেমা হল, যা একসময় ঢাকার বিনোদন জগতের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু ছিল, তা আজও এই এলাকার ঐতিহ্যের স্মারক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। এছাড়া শিশু-কিশোরদের জন্য শ্যামলী পার্ক এবং নিকটস্থ ঢাকা উদ্যান বা চন্দ্রিমা উদ্যানের সবুজ ছায়া এই কংক্রিটের জঞ্জালে এক চিলতে স্বস্তির নিঃশ্বাস জোগায়। স্থানীয় গুরুত্বের বিচারে শ্যামলী আজ উত্তর ও পশ্চিম ঢাকার অন্যতম প্রধান যোগাযোগ হাব। বিশেষায়িত চিকিৎসা সেবার জন্য পরিচিত 'শ্যামলী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট টিবি হাসপাতাল' এবং বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক এই এলাকাকে চিকিৎসা সেবার একটি বড় কেন্দ্রে রূপ দিয়েছে। এছাড়া শ্যামলী স্কয়ারের মতো আধুনিক শপিং মলগুলো এখানে কেনাকাটার প্রাণচাঞ্চল্য তৈরি করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে মেট্রোরেল প্রকল্পের সুবাদে মিরপুর রোডের এই এলাকাটি যানজটের ভোগান্তি কমিয়ে যোগাযোগের নতুন গতির সঞ্চার করেছে। এলাকাটি মূলত মধ্যবিত্ত ও উচ্চ-মধ্যবিত্তের আবাসস্থল হিসেবে গড়ে উঠলেও, এর অলিগলিতে মিশে আছে ঢাকার চিরন্তন ব্যস্ততা আর আধুনিক নাগরিক জীবনের এক অনন্য মেলবন্ধন।

00
মালিবাগ
ঢাকা

মালিবাগ

মালিবাগ ঢাকার অন্যতম প্রাচীন ও ব্যস্ততম জনপদ, যা মূলত ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আওতাভুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। ভৌগোলিক দিক থেকে এটি রামপুরা, মৌচাক, খিলগাঁও এবং রাজারবাগের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত। এলাকাটি মূলত একটি আবাসিক ও বাণিজ্যিক মিশ্র এলাকা হিসেবে পরিচিত। ব্রিটিশ আমল থেকেই এই অঞ্চলটি শহরের অন্যতম আবাসিক এলাকা হিসেবে গড়ে উঠতে থাকে। বর্তমানে মালিবাগ তার কৌশলগত অবস্থানের জন্য পরিচিত, কারণ এখান থেকে শহরের যেকোনো প্রান্তে যাতায়াত করা সহজ। অঞ্চলটি একসময় বাগান বা মালিদের বসতির জন্য পরিচিত ছিল বলে ধারণা করা হয়, যা থেকে এর নামকরণ হয়েছে বলে লোকমুখে প্রচলিত। মালিবাগের প্রধান আকর্ষণগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ‘মৌচাক-মালিবাগ ফ্লাইওভার’, যা এলাকাটির যাতায়াত ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন এনেছে। এলাকাটিতে বেশ কিছু নামকরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বেসরকারি হাসপাতাল এবং শপিং মল রয়েছে, যা একে কর্মচঞ্চল করে রাখে। মালিবাগ চৌধুরীপাড়ার মোড় এবং মালিবাগ বাজার এলাকাটি স্থানীয়দের কেনাকাটা ও আড্ডার প্রধান কেন্দ্র। একসময় এই এলাকায় অসংখ্য বাগানবাড়ি ও খোলা জায়গা থাকলেও বর্তমানে এটি ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় রূপ নিয়েছে। বিখ্যাত কবি ও গীতিকার **খান আতাউর রহমান** এবং প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক **হুমায়ূন আহমেদ**-এর জীবনের একটি দীর্ঘ সময় এই মালিবাগ ও এর আশেপাশের এলাকায় অতিবাহিত হয়েছে, যা এই স্থানটিকে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের দিক থেকেও সমৃদ্ধ করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে মালিবাগ এলাকাটি ঢাকা মেট্রোরেল (এমআরটি লাইন-১) প্রকল্পের কাজের আওতায় আসায় এটি নগরীর ভবিষ্যতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে গড়ে উঠছে।

00
গুলশান-১
ঢাকা

গুলশান-১

গুলশান-১ ঢাকার অন্যতম অভিজাত ও পরিকল্পিত আবাসিক-বাণিজ্যিক এলাকা, যা মূলত কূটনৈতিক পাড়া হিসেবে পরিচিত। ভৌগোলিকভাবে এটি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের অধীনে অবস্থিত এবং বনানী, মহাখালী ও গুলশান-২ এর পার্শ্ববর্তী এলাকা। একসময় এটি নিছক আবাসিক এলাকা থাকলেও সময়ের সাথে সাথে এটি শহরের প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। গুলশান লেক এই এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বড় ভূমিকা পালন করে। এলাকাটিতে অসংখ্য বহুজাতিক কোম্পানি, দূতাবাস, বিলাসবহুল রেস্তোরাঁ এবং আধুনিক শপিং মল রয়েছে, যা একে ঢাকার অন্যতম ব্যস্ত ও জাঁকজমকপূর্ণ স্থানে রূপান্তর করেছে। গুলশান-১ এর উল্লেখযোগ্য স্থাপনার মধ্যে রয়েছে গুলশান ডিসিসি মার্কেট, যা কেনাকাটার জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয়। এছাড়া গুলশান লেকের পাড়ে অবস্থিত পার্কগুলো বিকেলে সময় কাটানোর জন্য মানুষের পছন্দের জায়গা। সাম্প্রতিক সময়ে গুলশান এলাকায় অবকাঠামোগত আধুনিকায়ন এবং রাস্তার সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ ব্যাপকভাবে দৃশ্যমান। যদিও গুলশান এলাকাটি সুনির্দিষ্ট কোনো ছদ্মনামে পরিচিত নয়, তবে এটি অনেকের কাছে 'কূটনৈতিক জোন' বা 'ডিআইটি প্রজেক্ট' নামেও পরিচিত। বাংলাদেশের অনেক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, শিল্পপতি ও উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা এই এলাকায় বসবাস করেন। প্রখ্যাত সাংবাদিক ও কলামিস্ট প্রয়াত এবিএম মূসা এবং বহু বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের পদচারণায় একসময় মুখরিত ছিল এই এলাকা। বর্তমানে এটি ঢাকা শহরের আধুনিক জীবনযাত্রার এক অনন্য প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।

00
গুলশান
ঢাকা

গুলশান

ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত গুলশান একটি অত্যন্ত সুপরিকল্পিত, আধুনিক এবং অভিজাত আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকা। মূলত ১৯৬১ সালে একটি আবাসিক এলাকা হিসেবে এর যাত্রা শুরু হলেও, বর্তমানে এটি ঢাকার অন্যতম প্রধান কূটনৈতিক ও ব্যবসায়িক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। ভৌগোলিকভাবে এটি বনানী, মহাখালী ও বারিধারা এলাকার সন্নিকটে অবস্থিত এবং এর পাশ ঘেঁষেই বয়ে গেছে গুলশান লেক, যা এলাকাটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গুলশানকে অনেক সময় ঢাকার ‘কূটনৈতিক পাড়া’ বা ‘ডিপ্লোম্যাটিক জোন’ হিসেবে অভিহিত করা হয়, কারণ বিশ্বের অধিকাংশ দেশের দূতাবাস এবং অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থার কার্যালয় এখানেই অবস্থিত। এলাকাটি বিলাসবহুল রেস্তোরাঁ, আধুনিক শপিং মল, অভিজাত হোটেল এবং নান্দনিক স্থাপত্যের জন্য দেশজুড়ে সুপরিচিত। গুলশানের বিখ্যাত ‘গুলশান সোসাইটি লেক পার্ক’ এবং বিভিন্ন ক্যাফে ও আর্ট গ্যালারিগুলো নগরবাসীর অবসর যাপনের জনপ্রিয় গন্তব্য। সাম্প্রতিক সময়ে গুলশানকে স্মার্ট সিটি হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও ডিজিটাল নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া, বাংলাদেশের অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি, ব্যবসায়ী ও বুদ্ধিজীবী এই এলাকায় বসবাস করেন। গুলশানের আধুনিক জীবনযাত্রার পাশাপাশি এর সুবিন্যস্ত রাস্তাঘাট ও সবুজায়ন একে ঢাকার অন্যান্য এলাকা থেকে আলাদা করে তুলেছে, যা একে একটি আন্তর্জাতিক মানের নগরীর আবহে গড়ে তুলেছে।

00

189 ফলাফল · পৃষ্ঠা 1 এর মধ্যে 21

…