
সরকারিUniversity
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)
ঢাকা
প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ১৮৭৬ সালে ‘ঢাকা সার্ভে স্কুল’ হিসেবে যাত্রা শুরু করে, যা পরবর্তীতে ১৯১২ সালে ‘আহসানউল্লাহ স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং’ এবং ১৯৬২ সালে পূর্ণাঙ্গ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়। ঢাকার প্রাণকেন্দ্র পলাশীতে অবস্থিত এই বিদ্যাপীঠটি প্রায় ৭৬ একর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। এর স্থাপত্যশৈলী, বিশেষ করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, ঐতিহাসিক একাডেমিক ভবন এবং সবুজ চত্বর দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। এটি দেশের প্রকৌশল শিক্ষার সর্বোচ্চ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃত।
বর্তমানে বুয়েটে সেমিস্টার পদ্ধতিতে অত্যন্ত কঠোর ও মানসম্মত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এখানে প্রকৌশল, স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের অধীনে বিভিন্ন বিভাগে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে বিশ্বমানের গবেষণা ও পাঠদান করা হয়। আধুনিক ল্যাবরেটরি, সমৃদ্ধ কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি এবং দক্ষ শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত উদ্ভাবনী কাজে যুক্ত থাকছে। দেশের প্রযুক্তিগত উন্নয়নে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান অনস্বীকার্য।
কুড়িগ্রাম মূল শহর থেকে বুয়েটের দূরত্ব প্রায় ৩৫০ কিলোমিটারের বেশি। কুড়িগ্রাম থেকে ঢাকায় আসার জন্য সরাসরি বাস সার্ভিস বা ট্রেন (কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস) সবচেয়ে সুবিধাজনক মাধ্যম। ঢাকা পৌঁছানোর পর যেকোনো স্থান থেকে রিকশা বা সিএনজিযোগে সহজেই পলাশীতে অবস্থিত ক্যাম্পাসে যাওয়া যায়।
এই প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেছেন এমন অসংখ্য দেশবিখ্যাত ব্যক্তিত্বের মধ্যে রয়েছেন জাতীয় অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী, বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া এবং বর্তমান সময়ের অনেক সফল প্রযুক্তিবিদ ও নীতিনির্ধারক। বুয়েট কেবল একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, বরং এটি বাংলাদেশের মেধা ও মননের এক অনন্য বাতিঘর।


প্রতিষ্ঠানের মন্তব্য(0)