দ্রুত • মোবাইল-ফ্রেন্ডলি • বাংলা/ইংরেজি
জেলা লোগো
টিপটপটিপটপ তথ্য সুযোগ এবং সেবা
টিপটপ
কেনা-বেচা
সাইন ইনযোগ দিন
জেলা লোগোটিপটপ
কেনা-বেচা
প্রতিষ্ঠানসমূহস্থান ঘুরে দেখুনচাকরিপ্রাইভেট টিউশনযুক্ত হোন
নাগরিক আপডেটLIVEসংবাদ আপডেটভিডিও সংবাদ
সাইন ইনযোগ দিন
  1. হোম
  2. স্থান ঘুরে দেখুন
লোড হচ্ছে...

লোড হচ্ছে...

টিপটপ তথ্য সুযোগ এবং সেবা

আপনার জেলার স্থান, মানুষ, তথ্য, চাকরি ও বাজার

সংক্ষিপ্ত লিংক

  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ করুন
  • প্রযুক্তিগত কাঠামো

আইনগত

  • গোপনীয়তা নীতি
  • পরিষেবার শর্তাবলী
  • দাবিত্যাগ

© 2026 টিপটপ তথ্য সুযোগ এবং সেবা. সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

♥আপনার বিভাগের মানুষের এর জন্য নির্মিত

দাদা মোড়
কুড়িগ্রাম সদর, কুড়িগ্রাম

দাদা মোড়

কুড়িগ্রাম পৌরসভার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ‘দাদা মোড়’ শহরের অন্যতম ব্যস্ত ও গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্র। এটি কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার একটি প্রধান সংযোগস্থল, যা স্থানীয়দের কাছে অত্যন্ত পরিচিত। কুড়িগ্রাম মূল শহর থেকে এর দূরত্ব খুবই সামান্য, রিকশা বা অটোরিকশায় অনায়াসেই যাতায়াত করা যায়। এই মোড়টি মূলত বিভিন্ন গন্তব্যে যাওয়ার প্রধান ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে কাজ করে। এলাকাটি বাণিজ্যিক স্থাপনা ও ছোট-বড় অনেক দোকানের জন্য পরিচিত, যা প্রতিদিন হাজারো মানুষের পদচারণায় মুখর থাকে। কুড়িগ্রামের অন্যান্য স্থানের মতো এখানেও স্থানীয়দের মাঝে কিছু প্রচলিত নাম রয়েছে, যেমন—শহরের খেজুরের তলকে অনেকে ‘শিমুলতলা’ এবং জিয়া বাজারকে ‘পুরাতন বাজার’ হিসেবে চেনে, যা এই অঞ্চলের ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ। এছাড়া, কুড়িগ্রামের কৃতি সন্তান ও দেশবরেণ্য ব্যক্তিত্বদের স্মৃতিবিজড়িত এই শহরটি তার নিজস্ব স্বকীয়তায় উজ্জ্বল। যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ হওয়ায় দাদা মোড় এলাকাটি কুড়িগ্রামের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে।

00
বেগমগঞ্জ ইউনিয়ন
উলিপুর, কুড়িগ্রাম

বেগমগঞ্জ ইউনিয়ন

কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক এলাকা হলো বেগমগঞ্জ ইউনিয়ন। তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র নদের অববাহিকায় অবস্থিত হওয়ায় ভৌগোলিকভাবে এটি নদীভাঙনপ্রবণ ও পলিমাটি সমৃদ্ধ একটি অঞ্চল। কুড়িগ্রাম জেলা শহর থেকে এর দূরত্ব প্রায় ২০-২৫ কিলোমিটার, যেখানে সড়কপথে উলিপুর হয়ে যাতায়াত করতে হয়। স্থানীয়ভাবে এই ইউনিয়নের অনেক এলাকা 'বেগমগঞ্জ বাজার' কেন্দ্রিক জনপদ হিসেবে পরিচিত। এখানকার উল্লেখযোগ্য স্থাপনার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় এবং স্থানীয় ধর্মীয় উপাসনালয়। কৃষিপ্রধান এই অঞ্চলে ধান, পাট ও বিভিন্ন রবিশস্য প্রচুর পরিমাণে উৎপাদিত হয়। দর্শনীয় স্থানের তালিকায় এখানকার নদীতীরবর্তী প্রাকৃতিক দৃশ্য ও গ্রামীণ জনপদ বেশ আকর্ষণীয়। এই ইউনিয়নে বিশেষ কোনো দেশবিখ্যাত ব্যক্তির জন্ম না হলেও, এখানকার সাধারণ মানুষ কৃষি ও মৎস্য চাষের মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন।

00
ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়ন
রাজারহাট, কুড়িগ্রাম

ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়ন

কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক অঞ্চল হলো ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়ন। তিস্তা নদীর অববাহিকায় অবস্থিত এই ইউনিয়নটি ভৌগোলিকভাবে নদীভাঙন ও পলিমাটি সমৃদ্ধ সমতল ভূমি দ্বারা গঠিত। কুড়িগ্রাম মূল শহর থেকে এর দূরত্ব প্রায় ১৫-১৮ কিলোমিটার, যেখানে সড়কপথে সিএনজি বা অটোরিকশায় সহজেই যাতায়াত করা যায়। স্থানীয়ভাবে এই এলাকাটি অনেক সময় 'ঘড়িয়ালডাঙ্গা বাজার' কেন্দ্রিক জনপদ হিসেবে পরিচিত। এই ইউনিয়নের উল্লেখযোগ্য স্থাপনার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন প্রাচীন মসজিদ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখানকার মানুষের প্রধান জীবিকা কৃষি, বিশেষ করে ধান ও সবজি চাষের জন্য এলাকাটি বেশ পরিচিত। তিস্তা নদীর তীরবর্তী হওয়ায় বর্ষাকালে এখানকার প্রাকৃতিক দৃশ্য বেশ মনোরম হয়ে ওঠে, যা স্থানীয়দের কাছে দর্শনীয়। এই অঞ্চলে কোনো দেশবিখ্যাত ব্যক্তির জন্ম না হলেও, এটি তার ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ সংস্কৃতি ও সহজ-সরল জীবনযাত্রার জন্য পরিচিত। বর্তমানে আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের ফলে ইউনিয়নটি রাজারহাট উপজেলা সদরের সাথে নিবিড়ভাবে সংযুক্ত।

00
তালতলা মোড়
কুড়িগ্রাম সদর, কুড়িগ্রাম

তালতলা মোড়

কুড়িগ্রাম পৌরসভা এলাকার তালতলা মোড় একটি গুরুত্বপূর্ণ আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকা, যা স্থানীয়ভাবে ‘তালতলা’ নামেই পরিচিত। কুড়িগ্রাম মূল শহর থেকে প্রায় ১-২ কিলোমিটার দূরত্বের এই স্থানটি শহরের প্রাণকেন্দ্রের সাথে অত্যন্ত সুসংযুক্ত। যাতায়াতের জন্য রিকশা, অটোরিকশা ও ইজিবাইকই প্রধান মাধ্যম, যা শহরের যেকোনো প্রান্ত থেকে সহজে এখানে পৌঁছাতে সাহায্য করে। এলাকাটি মূলত শান্ত ও নিরিবিলি আবাসিক পরিবেশের জন্য পরিচিত হলেও এর মোড়গুলোতে ছোটখাটো বাণিজ্যিক কার্যক্রম বিদ্যমান। ভৌগোলিক ও অবকাঠামোগত দিক থেকে এটি কুড়িগ্রাম সদরের একটি সুপরিকল্পিত অংশ। এখানে কোনো বড় পর্যটন কেন্দ্র না থাকলেও, স্থানীয় বাসিন্দাদের দৈনন্দিন যাতায়াত ও সামাজিক যোগাযোগের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে এই মোড়টির গুরুত্ব অপরিসীম। এলাকাটি কুড়িগ্রামের মূল শহরের সাথে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ বজায় রাখে, ফলে নাগরিক সুযোগ-সুবিধা এখানে সহজলভ্য। এছাড়া, এই এলাকায় বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও সামাজিক উৎসবের খবর প্রায়ই আলোচনায় উঠে আসে। সামগ্রিকভাবে, তালতলা মোড় কুড়িগ্রাম শহরের একটি সুপরিচিত ও জনবহুল আবাসিক এলাকা হিসেবে নিজের অবস্থান বজায় রেখেছে।

00
ভিতরবন্দ জমিদার বাড়ি
নাগেশ্বরী, কুড়িগ্রাম

ভিতরবন্দ জমিদার বাড়ি

কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নে অবস্থিত ‘ভিতরবন্দ জমিদার বাড়ি’ এক ঐতিহাসিক স্থাপত্য নিদর্শন। স্থানীয়ভাবে এটি ‘ভিতরবন্দ রাজবাড়ি’ নামেও পরিচিত। একসময় এটি ছিল ভিতরবন্দ পরগনার কেন্দ্রবিন্দু, যা তার বিশাল আয়তন ও কারুকার্যময় স্থাপত্যের জন্য বিখ্যাত ছিল। বর্তমানে মূল স্থাপনাটির অধিকাংশ ধ্বংসপ্রাপ্ত হলেও এর ধ্বংসাবশেষ ও বিশাল এলাকা জুড়ে থাকা প্রাচীন গাছপালা দর্শনার্থীদের ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে টানে। কুড়িগ্রাম জেলা শহর থেকে এর দূরত্ব প্রায় ২৫-৩০ কিলোমিটার। জেলা শহর থেকে নাগেশ্বরী হয়ে সড়কপথে সহজেই এখানে পৌঁছানো যায়। এই জমিদার বাড়ির সাথে জড়িয়ে আছে ব্রিটিশ আমলের প্রভাবশালী জমিদার পরিবারের ইতিহাস। এছাড়া, এই অঞ্চলের সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে এই জমিদার পরিবারের বিশেষ প্রভাব ছিল। বর্তমানে এটি স্থানীয়দের কাছে একটি দর্শনীয় ঐতিহাসিক স্থান হিসেবে পরিচিত।

00
খলেয়া ইউনিয়ন
রংপুর সদর, রংপুর

খলেয়া ইউনিয়ন

রংপুর সদর উপজেলার বুক চিরে বয়ে যাওয়া এক জনপদ হলো খলেয়া ইউনিয়ন। তিস্তা ও ঘাঘট অববাহিকার পলিবিধৌত এই এলাকাটি ঐতিহাসিকভাবেই কৃষি ও সংস্কৃতির এক মেলবন্ধন। ভৌগোলিক বিচারে এটি রংপুর শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত হলেও, এর নিজস্ব স্বকীয়তা বেশ প্রকট। এখানকার দিগন্তজোড়া ফসলের মাঠ আর গ্রামীণ মেঠোপথ যেন এক শান্ত ও স্নিগ্ধ জনজীবনের প্রতিচ্ছবি। স্থানীয়দের কাছে এই অঞ্চলটি তার উর্বর ভূমির জন্য পরিচিত, যেখানে সোনালী ধানের পাশাপাশি তামাক ও সবজি চাষের এক সমৃদ্ধ ঐতিহ্য রয়েছে। খলেয়া ইউনিয়নের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত বাসমুনিয়া হাট বা খলেয়া হাট, যেখানে সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনে প্রাণের স্পন্দন আছড়ে পড়ে। এখানে অবস্থিত খলেয়া গঞ্জিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও বিভিন্ন ধর্মীয় স্থাপনা এলাকার মানুষের শিক্ষা ও মূল্যবোধের আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করছে। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে এই অঞ্চলটি মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত, যেখানে স্থানীয় মানুষের সাহসিকতার অনেক গল্প ছড়িয়ে আছে। এছাড়া, এ অঞ্চলের কৃতি সন্তানদের মধ্যে বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের অবদান ইউনিয়নটিকে সমৃদ্ধ করেছে। কালের পরিক্রমায় খলেয়া আজ আধুনিকতার ছোঁয়া পেলেও তার আদি অকৃত্রিম গ্রামীণ রূপটি এখনো অমলিন, যা এই জনপদকে পর্যটক ও ভ্রমণপিপাসুদের কাছে এক অন্যরকম ভালোলাগার ঠিকানায় পরিণত করেছে।

00
হাকিমপুর
হাকিমপুর, দিনাজপুর

হাকিমপুর

দিনাজপুর জেলার দক্ষিণ-পূর্ব কোণে অবস্থিত হাকিমপুর উপজেলা যেন দুই দেশের মৈত্রীর এক শান্ত সোপান। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কোল ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকা এই জনপদটি তার ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ঐতিহাসিকভাবেই গুরুত্বপূর্ণ। এর বুক চিরে বয়ে গেছে ছোট যমুনা নদী, যা এই অঞ্চলের ভূমিকে করেছে উর্বর আর মানুষের জীবনকে করেছে সচল। সীমান্তঘেঁষা হিলি স্থলবন্দর এই উপজেলার প্রাণকেন্দ্র; এটি কেবল ব্যবসার দুয়ার নয়, বরং দুই বাংলার মানুষের যাতায়াত ও সংস্কৃতির মেলবন্ধনের এক অনন্য প্রবেশপথ। হিলি বা হাকিমপুরকে যারা কাছ থেকে চেনেন, তারা জানেন এখানকার মানুষের আতিথেয়তা আর প্রাণবন্ত হাটবাজারের কথা। হিলি স্থলবন্দরের ব্যস্ততা আর বাজারের কোলাহল ছাপিয়ে এখানে পাওয়া যায় শান্তির পরশ। এখানকার সুপরিচিত ব্যক্তিত্বদের মধ্যে অন্যতম হলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইমদাদুল হক চৌধুরী, যিনি এই অঞ্চলের মানুষের হৃদয়ে শ্রদ্ধার আসনে আসীন। একাত্তরের রণাঙ্গনে এই হাকিমপুরের মাটি প্রত্যক্ষ করেছিল অসীম সাহসিকতার এক ইতিহাস, যা আজও এখানকার বাতাসে অনুরণিত হয়। সব মিলিয়ে, হাকিমপুর কেবল একটি প্রশাসনিক মানচিত্রের নাম নয়, এটি সীমান্তবর্তী মানুষের জীবনসংগ্রাম, সম্প্রীতি এবং ঐতিহ্যের এক জীবন্ত আখ্যান।

00
চিলমারী ইউনিয়ন
চিলমারী, কুড়িগ্রাম

চিলমারী ইউনিয়ন

কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত চিলমারী ইউনিয়ন ব্রহ্মপুত্র নদের অববাহিকায় গড়ে ওঠা একটি জনপদ। ভৌগোলিকভাবে এটি নদীভাঙনপ্রবণ এলাকা হলেও এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও গ্রামীণ পরিবেশ অনন্য। কুড়িগ্রাম মূল শহর থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৩০ কিলোমিটার এবং সড়কপথে সিএনজি বা অটোরিকশায় যাতায়াত করা যায়। এই ইউনিয়নের উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থানের মধ্যে রয়েছে ঐতিহাসিক চিলমারী বন্দর, যা একসময় পাট ও ধান ব্যবসার জন্য বিখ্যাত ছিল এবং বিখ্যাত লোকসংগীত ‘ওকি গাড়িয়াল ভাই’ গানের অনুপ্রেরণায় নির্মিত ‘গাড়িয়াল ভাই’ ভাস্কর্য। চিলমারী বন্দর এলাকাটি স্থানীয়ভাবে ‘বন্দর’ নামেই বেশি পরিচিত। এই জনপদটি দেশবিখ্যাত সংগীতশিল্পী আব্বাস উদ্দীনের গাওয়া ভাওয়াইয়া গানের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পেয়েছে। এছাড়া, প্রতি বছর ব্রহ্মপুত্র নদে অনুষ্ঠিত চিলমারীর অষ্টমী স্নান উৎসব এই অঞ্চলের অন্যতম প্রধান সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় আকর্ষণ। নদীমাতৃক এই ইউনিয়নের মানুষের জীবনযাত্রা ও সংস্কৃতি ব্রহ্মপুত্রের জোয়ার-ভাটার সাথে গভীরভাবে মিশে আছে।

00
কঁচাকাঁটা ইউনিয়ন
নাগেশ্বরী, কুড়িগ্রাম

কঁচাকাঁটা ইউনিয়ন

কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক অঞ্চল হলো কঁচাকাঁটা ইউনিয়ন। ভৌগোলিকভাবে এটি দুধকুমার নদের অববাহিকায় অবস্থিত, যা অঞ্চলটিকে কৃষি ও মৎস্য সম্পদের জন্য সমৃদ্ধ করেছে। স্থানীয়ভাবে এটি অনেক সময় ‘কঁচাকাঁটা বাজার’ কেন্দ্রিক এলাকা হিসেবেও পরিচিত। কুড়িগ্রাম জেলা শহর থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৩০-৩৫ কিলোমিটার, যেখানে সড়কপথে বাস বা সিএনজিযোগে যাতায়াত করা যায়। এই ইউনিয়নের উল্লেখযোগ্য স্থাপনার মধ্যে রয়েছে কঁচাকাঁটা ডিগ্রি কলেজ ও বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়। এখানকার ভৌগোলিক অবস্থান ও নদীতীরবর্তী পরিবেশ দর্শনার্থীদের জন্য বেশ মনোরম। অতীতে নদী ভাঙনের কবলে পড়লেও বর্তমানে এটি নাগেশ্বরীর অন্যতম বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছে। এই অঞ্চলে কোনো দেশবিখ্যাত ব্যক্তির জন্ম বা স্থায়ী বসবাসের সুনির্দিষ্ট তথ্য না থাকলেও, স্থানীয় সংস্কৃতি ও গ্রামীণ জীবনধারা এই ইউনিয়নের মূল বৈশিষ্ট্য।

00

166 ফলাফল · পৃষ্ঠা 1 এর মধ্যে 19

…