
সরকারিUniversity
খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়
খুলনা
প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রকৌশল শিক্ষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ। ১৯৬৭ সালে 'খুলনা প্রকৌশল কলেজ' হিসেবে যাত্রা শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮৬ সালে 'বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (বিআইটি), খুলনা' এবং পরবর্তীতে ২০০৩ সালে পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। খুলনা মহানগরীর ফুলবাড়ীগেট এলাকায় প্রায় ১০১ একর জমির ওপর সবুজে ঘেরা মনোরম পরিবেশে এই ক্যাম্পাসটি অবস্থিত। ক্যাম্পাসের ভেতরে দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যশৈলীর প্রশাসনিক ভবন, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, সুবিশাল লাইব্রেরি এবং বিভিন্ন অনুষদের ভবনগুলো এক অনন্য নান্দনিকতা তৈরি করেছে।
বর্তমানে কুয়েটে সেমিস্টার পদ্ধতিতে প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যার বিভিন্ন শাখায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের পাঠদান পরিচালিত হচ্ছে। এখানে সিভিল, মেকানিক্যাল, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক, কম্পিউটার সায়েন্সসহ বিভিন্ন প্রকৌশল অনুষদের অধীনে আধুনিক ল্যাবরেটরি ও গবেষণাগারে হাতে-কলমে শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। দক্ষ শিক্ষকবৃন্দের তত্ত্বাবধানে এখানে উদ্ভাবনী গবেষণা ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ সাধনের নিরন্তর প্রচেষ্টা চলে। এছাড়া, বিভিন্ন ক্লাব ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল বিকাশের সুযোগও এখানে অবারিত।
খুলনা শহরের প্রাণকেন্দ্র থেকে কুয়েটের দূরত্ব প্রায় ১২-১৩ কিলোমিটার। শহরের জিরো পয়েন্ট বা শিববাড়ি মোড় থেকে বাস, অটোরিকশা বা নিজস্ব পরিবহনে খুব সহজেই ক্যাম্পাসে যাতায়াত করা যায়। কুয়েটের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেকেই দেশ-বিদেশে প্রকৌশল ও প্রযুক্তি খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। বিশেষ করে, দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও প্রযুক্তিগত বিপ্লবে কুয়েটের গ্র্যাজুয়েটদের ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। সব মিলিয়ে, কুয়েট কেবল একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, বরং এটি দক্ষ প্রকৌশলী তৈরির এক অনন্য কারিগর।


প্রতিষ্ঠানের মন্তব্য(0)