
চর রাজিবপুর(Upazila)
চর রাজিবপুর কুড়িগ্রাম জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা, যা স্থানীয়ভাবে 'রাজিবপুর' নামেই বেশি পরিচিত।
ব্রহ্মপুত্র নদের অববাহিকায় অবস্থিত এই জনপদটি ভৌগোলিকভাবে নদীবেষ্টিত ও পলিমাটি সমৃদ্ধ।
কুড়িগ্রাম জেলা সদর থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৬০ কিলোমিটার এবং যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম হলো নৌপথ ও সড়কপথের সমন্বয়।
বর্ষাকালে নৌকাই যোগাযোগের প্রধান ভরসা হলেও শুষ্ক মৌসুমে সড়কপথে যাতায়াত করা যায়।
এখানকার দর্শনীয় স্থানের মধ্যে ব্রহ্মপুত্র নদের বিশাল জলরাশি ও চরাঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অন্যতম।
উপজেলাটিতে কোনো দেশবিখ্যাত ব্যক্তি না থাকলেও, এটি তার কৃষিপ্রধান অর্থনীতি ও নদীকেন্দ্রিক জীবনযাত্রার জন্য পরিচিত।
প্রশাসনিক ও ব্যবসায়িক প্রয়োজনে স্থানীয়রা একে বিভিন্ন নামে সম্বোধন করলেও দাপ্তরিকভাবে এটি চর রাজিবপুর নামেই স্বীকৃত।
এখানকার মানুষের জীবনযাত্রা ও সংস্কৃতি মূলত নদী ও চরের প্রতিকূলতার সাথে লড়াই করে টিকে থাকার এক অনন্য উদাহরণ।
চর রাজিবপুর উপজেলা বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলার একটি প্রশাসনিক এলাকা। স্থানীয় ভাবে এটি রাজিবপুর উপজেলা নামে পরিচিত। বাংলাদেশের নারী খেতাবপ্রাপ্ত বীরপ্রতীক তারামন বিবি এই উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। বাংলাদেশের প্রথম সীমান্ত হাট বালিয়ামারী-কালাইরচর সীমান্ত হাট এই উপজেলায় অবস্থিত। অবস্থান ও আয়তন ভৌগোলিক ভাবে এই উপজেলাটি জামালপুর সীমান্তে এবং কুড়িগ্রাম জেলার মূল ভুখন্ড থেকে ব্রহ্মপুত্র নদ দ্বারা বিচ্ছিন্ন। এই উপজেলায় ছোট বড় প্রায় ৩০টি চর রয়েছে। এর আয়তন ১১১.০৩২ বর্গ কিলোমিটার। রাজিবপুর উপজেলার উত্তরে রৌমারী উপজেলা ও চিলমারী উপজেলা এবং ব্রহ্মপুত্র নদ, দক্ষিণে জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা ও গাইবান্ধা জেলার গাইবান্ধা সদর উপজেলা এবং ব্রহ্মপুত্র নদ, পূর্বে ভারতের আসাম ও মেঘালয় রাজ্য, পশ্চিমে গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা। ইতিহাস রাজিবপুর থানাটি ১৯৭৭ সালে গড়ে উঠে,পরবর্তীতে ১৯৮৩ সালে চর রাজিবপুর উপজেলা নামে আত্মপ্রকাশ করে।ভৌগোলিক ভাবে জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ডাঙধরা ও চর আমখাওয়া ইউনিয়নের মানুষ রাজিবপুর উপজেলা কেন্দ্রীক। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ১৯৭১ সালের ৪ আগস্ট পাকবাহিনী কোদালকাটি দখল করে নেয়। ১৩ আগস্ট তারাবরে পাকবাহিনীর সাথে ভয়াবহ যুদ্ধে লিপ্ত হয় মুক্তিবাহিনী, পাকবাহিনী দিশেহারা হয়ে পিছু হটে। ২ অক্টোবর, কোদালকাটি ও শংকর মাধবপুরে মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে পাকিস্তানি বাহিনীর প্রচণ্ড যুদ্ধ হয়, যেখানে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহসিকতায় পাকিস্তানি ১০০-১৫০ সেনা হতাহত হয়। পরবর্তীতে ৪ অক্টোবর পাকবাহিনীর পলায়নের মাধ্যমে কোদালকাটি তথা রাজিবপুর মুক্ত হয়। শংকর মাধবপুরের গণহত্যা শংকর মাধবপুর গ্রামটি ছিল তৎকালীন বৃহত্তর রংপুর জেলার (বর্তমানে কুড়িগ্রাম জেলা) রৌমারী থানার… এর অন্তর্গত 8টি ইউনিয়নসমূহ: বেলগাছা, ভোগডাঙ্গা, ঘোগাদহ, হলোখানা, যাত্রাপুর, কাঁঠালবাড়ী, মোগলবাসা, পাঁচগাছি.
রাজিবপুর থানাটি ১৯৭৭ সালে গড়ে উঠে,পরবর্তীতে ১৯৮৩ সালে চর রাজিবপুর উপজেলা নামে আত্মপ্রকাশ করে।ভৌগোলিক ভাবে জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ডাঙধরা ও চর আমখাওয়া ইউনিয়নের মানুষ রাজিবপুর উপজেলা কেন্দ্রীক।


💬মন্তব্যসমূহ(0)
✏️মন্তব্য করুন