ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা — তথ্য, ছবি ও রিভিউ | টিপটপ ডিভিশন
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়
বেসরকারিUniversity
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়
ঢাকা
প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় আমার কাছে কেবল একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, বরং নিজের সত্তাকে নতুন করে চেনার এক অনন্য ঠিকানা।
২০০১ সালে ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদের হাত ধরে যে পথচলা শুরু হয়েছিল, তা আজ দেশের উচ্চশিক্ষার মানচিত্রে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত আমাদের এই ক্যাম্পাসটি যেন ইট-পাথরের দেয়াল ছাড়িয়ে এক বিশাল স্বপ্নের নাম। এখানকার মুক্তমনা পরিবেশ, শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা চর্চার অবারিত সুযোগ এবং প্রতিটি কোণায় লেগে থাকা প্রাণচাঞ্চল্য আমাকে আজও নস্টালজিক করে তোলে।
একাডেমিক উৎকর্ষের দিক থেকে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় সবসময়ই আপসহীন। বর্তমানে এখানকার পাঠদান পদ্ধতি অত্যন্ত আধুনিক ও সময়োপযোগী, যেখানে তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি ব্যবহারিক শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। অত্যাধুনিক ল্যাবরেটরি, সমৃদ্ধ লাইব্রেরি এবং শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে নিয়োজিত বিভিন্ন ক্লাব ও ফোরাম আমাদের কর্মজীবনের জন্য প্রস্তুত করে তোলে। বিশেষ করে এখানকার শিক্ষকদের সাথে শিক্ষার্থীদের যে বন্ধুত্বপূর্ণ ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক, তা এক অসাধারণ শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করে। এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব গবেষণা ও উদ্ভাবনী প্রকল্পগুলো আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আমাদের নামকে বারবার গৌরবান্বিত করেছে।
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাফল্যের গল্পে অনেক গুণী মানুষের ছোঁয়া রয়েছে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্যরা সবসময় শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। আমাদের ক্যাম্পাসের করিডোরে হাঁটলে মাঝে মাঝেই দেখা মিলত দেশের প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবীদের। বিশেষ করে, স্যার ফজলে হাসান আবেদের মানবিক দর্শন ও দূরদর্শী চিন্তাভাবনা আমাদের সবসময় অনুপ্রাণিত করেছে। আজ যখন আমি প্রাক্তন শিক্ষার্থী হিসেবে পেছনে ফিরে তাকাই, তখন গর্বে বুক ভরে ওঠে যে আমি এমন একটি প্রতিষ্ঠানের অংশ, যা কেবল ডিগ্রি দেয় না, বরং দেশ ও দশের কল্যাণে কাজ করার এক অনন্য মানসিকতা গড়ে দেয়।
প্রতিষ্ঠানের মন্তব্য(0)