রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) — তথ্য, ছবি ও রিভিউ | টিপটপ ডিভিশন
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট)
সরকারিUniversity
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট)
রাজশাহী
প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে
পদ্মা নদীর কোলঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকা আমাদের প্রাণের বিদ্যাপীঠ রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট)।
১৯৬৪ সালে রাজশাহী ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ হিসেবে যাত্রা শুরু করে আজ এটি দেশের অন্যতম সেরা প্রকৌশল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। ক্যাম্পাসের প্রতিটি ইটের ভাঁজে মিশে আছে হাজারো প্রকৌশলীর স্বপ্ন আর সাফল্যের গল্প। সবুজ গাছগাছালি আর নিরিবিলি পরিবেশের এই ক্যাম্পাস যেন আমাদের কাছে এক টুকরো স্বর্গ, যেখানে পড়াশোনার পাশাপাশি আড্ডা আর বন্ধুত্বের মায়ায় প্রতিটি মুহূর্ত অর্থবহ হয়ে ওঠে।
এখানকার একাডেমিক পরিবেশ বরাবরই প্রাণবন্ত। তাত্ত্বিক পড়াশোনার পাশাপাশি ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জনে রুয়েট সবসময়ই আপসহীন। আধুনিক ল্যাবরেটরি, সমৃদ্ধ লাইব্রেরি এবং দক্ষ শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে এখানকার শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত নতুন নতুন উদ্ভাবনে নিজেদের নিয়োজিত রাখছে। রোবটিক্স, মেকাট্রনিক্স থেকে শুরু করে সিভিল বা ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের জটিল বিষয়গুলোকেও আমরা এখানে সহজ ও আনন্দদায়কভাবে আয়ত্ত করি। প্রতি বছর বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় রুয়েট শিক্ষার্থীদের সাফল্য আমাদের মাথা উঁচু করে দেয়।
সাফল্যের এই দীর্ঘ পথচলায় রুয়েট উপহার দিয়েছে অসংখ্য কৃতি ব্যক্তিত্বকে, যারা দেশ-বিদেশে প্রকৌশলবিদ্যার জয়গান গাইছেন। দেশের খ্যাতিমান শিক্ষাবিদ ও প্রকৌশলী ড. এম. কায়কোবাদ থেকে শুরু করে অসংখ্য সফল ইন্ডাস্ট্রিয়াল লিডার এই ক্যাম্পাসেরই প্রাক্তন শিক্ষার্থী। তাদের পথ অনুসরণ করেই আমরা আগামীর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখি। রুয়েটের একজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী হিসেবে নিজেকে এই পরিবারের অংশ মনে করাটা আমার জীবনের অন্যতম বড় গর্বের জায়গা। এখানকার প্রতিটি স্মৃতি, প্রতিটি ক্লাসরুম আর প্রিয় ক্যাম্পাসের সেই বিকেলগুলো আজও আমাদের বারবার পিছু টানে।
প্রতিষ্ঠানের মন্তব্য(0)