দ্রুত • মোবাইল-ফ্রেন্ডলি • বাংলা/ইংরেজি
জেলা লোগো
টিপটপটিপটপ ডিভিশন
টিপটপ
যুক্ত হোন
কেনা-বেচা
সাইন ইনযোগ দিন/সাইনআপ
জেলা লোগোটিপটপ
যুক্ত হোনকেনা-বেচা
প্রতিষ্ঠানসমূহস্থান ঘুরে দেখুনচাকরিপ্রাইভেট টিউশন
নাগরিক আপডেটLIVEসংবাদ আপডেটভিডিও সংবাদ
সাইন ইনযোগ দিন/সাইনআপ
  1. হোম
  2. স্থান ঘুরে দেখুন
লোড হচ্ছে...

লোড হচ্ছে...

টিপটপ ডিভিশন

আপনার জেলার স্থান, মানুষ, তথ্য, চাকরি ও বাজার

সংক্ষিপ্ত লিংক

  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ করুন
  • প্রযুক্তিগত কাঠামো
  • সেবাসমূহ

আইনগত

  • গোপনীয়তা নীতি
  • পরিষেবার শর্তাবলী
  • দাবিত্যাগ

© 2026 টিপটপ ডিভিশন. সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

♥আপনার বিভাগের মানুষের এর জন্য নির্মিত

ধরলা নদী
কুড়িগ্রাম সদর, কুড়িগ্রাম

ধরলা নদী

ধরলা নদী বাংলাদেশ-ভারতের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা "পাউবো" কর্তৃক ধরলা নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ৫৯। প্রবাহ উৎপত্তিস্থল হিমালয়ে জলঢাকা বা শিংগিমারি নামে পরিচিত নদীটি পশ্চিম বঙ্গের জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে লালমনিরহাট জেলার, পাটগ্রাম দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। প্রবেশের পর নদীটি পাটগ্রাম থানার কাছে পুনরায় ভারতে প্রবেশ করে পূর্বদিকে প্রবাহিত হয়েছে এবং অকস্মাৎ বাঁক নিয়ে কুড়িগ্রাম জেলা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। বাংলাদেশ-ভারতের এই আন্তঃসীমান্ত নদীটি জলঢাকা নদীর সাথে মিলিত হয়ে মুলত ধরলা নামেই কুড়িগ্রামের কাছে ব্রহ্মপুত্র নদে মিশেছে। বিবরণ বাংলাদেশ অংশে ধরলার দৈর্ঘ্য ৭৫ কিলোমিটার। এর গড় গভীরতা ১২ ফুট বা ৩.৭ মিটার এবং কুড়িগ্রামে সর্বোচ্চ গভীরতা ৩৯ ফুট বা ১২ মিটার। উত্তরবঙ্গের সবচেয়ে দীর্ঘ সড়ক সেতুটি এই নদীর উপর অবস্থিত। ৯৫০ মিটার দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট পিসি গার্ডার সেতুটি ২য় ধরলা সেতু/শেখ হাসিনা ধরলা সেতু নামে ২০১৮ সালে চালু হয়। উপনদী ফুলবাড়ী থানার উপর দিয়ে প্রবাহিত নীলকুমার নামে ধরলার একটি উপনদী রয়েছে। নদীভাঙ্গন ২০০৭ সালে ধরলা নদী ও যমুনা নদীর ভাঙ্গনে কুড়িগ্রামের ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ২ কিলোমিটার নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে তিনটি মসজিদ, দুইটি মন্দির, একটি মাদ্রাসা, একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ফসলসহ আবাদযোগ্য জমি নদীগর্ভে হারিয়ে যায়। এতে তিন হাজারের অধিক মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়ে। আরও দেখুন বাংলাদেশের নদীর তালিকা বাংলাদেশের বড় নদীসমূহ পশ্চিমবঙ্গের নদীর তালিকা আন্তঃসীমান্ত নদী জলঢাকা নদী তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ

00
রায়গঞ্জ ইউনিয়ন
নাগেশ্বরী, কুড়িগ্রাম

রায়গঞ্জ ইউনিয়ন

কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক অঞ্চল হলো রায়গঞ্জ ইউনিয়ন। ভৌগোলিকভাবে এটি দুধকুমার নদ ও সংলগ্ন নিচু ভূমির অববাহিকায় অবস্থিত, যা কৃষিপ্রধান জনপদ হিসেবে পরিচিত। ইউনিয়নটির কোনো বিকল্প নাম না থাকলেও স্থানীয়ভাবে এটি নাগেশ্বরীর অন্যতম জনবহুল এলাকা হিসেবে গণ্য হয়। কুড়িগ্রাম জেলা শহর থেকে এর দূরত্ব প্রায় ২৫-৩০ কিলোমিটার, যেখানে সড়কপথে বাস বা সিএনজিযোগে নাগেশ্বরী হয়ে সহজে যাতায়াত করা যায়। এলাকাটিতে উল্লেখযোগ্য কোনো দর্শনীয় স্থান না থাকলেও গ্রামীণ জনপদের শান্ত পরিবেশ ও বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ এখানকার প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানে স্থানীয় হাট-বাজারগুলোই সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু। এই ইউনিয়নে কোনো দেশবিখ্যাত ব্যক্তিত্বের জন্ম বা স্থায়ী বসবাসের তথ্য তেমনভাবে পাওয়া যায় না। সামগ্রিকভাবে, রায়গঞ্জ ইউনিয়ন নাগেশ্বরীর একটি সাধারণ অথচ কর্মচঞ্চল জনপদ, যা মূলত কৃষি ও স্থানীয় ব্যবসার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

00
বামনডাঙ্গা ইউনিয়ন
নাগেশ্বরী, কুড়িগ্রাম

বামনডাঙ্গা ইউনিয়ন

কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক অঞ্চল হলো বামনডাঙ্গা ইউনিয়ন। ভৌগোলিকভাবে এটি দুধকুমার ও সংকোষ নদীর অববাহিকায় অবস্থিত হওয়ায় এখানকার ভূমি অত্যন্ত উর্বর এবং কৃষিপ্রধান। কুড়িগ্রাম জেলা শহর থেকে এর দূরত্ব প্রায় ২৫-৩০ কিলোমিটার, যেখানে সড়কপথে বাস বা সিএনজিযোগে যাতায়াত করা যায়। স্থানীয়ভাবে এই এলাকাটি কোনো বিকল্প নামে পরিচিত না হলেও, এটি নাগেশ্বরী উপজেলার অন্যতম জনবহুল ও ঐতিহ্যবাহী ইউনিয়ন হিসেবে স্বীকৃত। এই ইউনিয়নে উল্লেখযোগ্য কোনো দর্শনীয় স্থান না থাকলেও এখানকার গ্রামীণ জনপদ ও নদীকেন্দ্রিক জীবনযাত্রা বেশ শান্তিময়। ইউনিয়নের প্রশাসনিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড মূলত বামনডাঙ্গা বাজারকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়। এখানে শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি কিছু প্রাচীন বসতি রয়েছে যা স্থানীয় ঐতিহ্যের ধারক। যদিও এই ইউনিয়ন থেকে দেশবিখ্যাত কোনো ব্যক্তির নাম ব্যাপকভাবে পরিচিত নয়, তবে এখানকার সাধারণ মানুষের সহজ-সরল জীবনযাপন ও কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিই এই অঞ্চলের মূল বৈশিষ্ট্য।

00
(আদর্শ ) পৌর বাজার
কুড়িগ্রাম সদর, কুড়িগ্রাম

(আদর্শ ) পৌর বাজার

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ‘আদর্শ পৌর বাজার’ স্থানীয় অর্থনীতি ও জনজীবনের প্রধান কেন্দ্রবিন্দু। ভৌগোলিকভাবে এটি ধরলা নদী অববাহিকার নিকটবর্তী সমতল ভূমিতে অবস্থিত, যা জেলাটির প্রধান বাণিজ্যিক হাব হিসেবে পরিচিত। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, কাঁচামাল ও পাইকারি কেনাবেচার জন্য এটি একটি সর্বজনীন ও ব্যস্ততম স্থান। বাজারের পাশেই কুড়িগ্রাম পৌরসভা কার্যালয় ও কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ অবস্থিত, যা স্থানটির গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে, গত ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে বাজার এলাকায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিয়াজুল ইসলামের নেতৃত্বে এই অভিযানে অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রির দায়ে বেশ কিছু ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়। এছাড়া, বাজারের পুরনো স্থাপত্যশৈলী এবং স্থানীয় হস্তশিল্পের দোকানগুলো দর্শনার্থীদের জন্য বেশ আকর্ষণীয়। প্রতিদিন হাজারো মানুষের পদচারণায় মুখরিত এই বাজারটি কুড়িগ্রামের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের অন্যতম ধারক।

00
বন্দবেড় ইউনিয়ন
রৌমারী, কুড়িগ্রাম

বন্দবেড় ইউনিয়ন

কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক অঞ্চল হলো বন্দবেড় ইউনিয়ন। ভৌগোলিকভাবে এটি ব্রহ্মপুত্র নদের অববাহিকায় অবস্থিত হওয়ায় এখানকার ভূমি অত্যন্ত উর্বর এবং কৃষিপ্রধান। কুড়িগ্রাম জেলা শহর থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৬০-৬৫ কিলোমিটার, যেখানে যাতায়াতের জন্য সড়কপথের পাশাপাশি নৌপথের ব্যবহারও প্রচলিত। স্থানীয়ভাবে এই এলাকাটি অনেক সময় 'বন্দবেড়' নামেই পরিচিত, তবে এর বিভিন্ন গ্রাম ও পাড়াভেদে স্থানীয় নাম রয়েছে। এই ইউনিয়নে উল্লেখযোগ্য কোনো বড় পর্যটন কেন্দ্র না থাকলেও এখানকার গ্রামীণ জনপদ ও ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী প্রাকৃতিক দৃশ্য অত্যন্ত মনোরম। ইউনিয়নের প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্দবেড় ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় থেকে পরিচালিত হয়। এখানে শিক্ষার প্রসারে বেশ কিছু প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। ঐতিহাসিকভাবে এই অঞ্চলটি রৌমারী উপজেলার অন্যান্য এলাকার মতোই নদীভাঙন ও কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির ওপর নির্ভরশীল। কুড়িগ্রামের মূল শহর থেকে এখানে পৌঁছাতে রৌমারী হয়ে সড়কপথে যাতায়াত করতে হয়, যা বর্ষাকালে কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে।

00
বেরুবাড়ী ইউনিয়ন
নাগেশ্বরী, কুড়িগ্রাম

বেরুবাড়ী ইউনিয়ন

কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক অঞ্চল হলো বেরুবাড়ী ইউনিয়ন। ভৌগোলিকভাবে এটি দুধকুমার নদের অববাহিকায় অবস্থিত হওয়ায় এখানকার ভূমি বেশ উর্বর এবং কৃষিপ্রধান। কুড়িগ্রাম জেলা শহর থেকে এর দূরত্ব প্রায় ২০-২৫ কিলোমিটার, যেখানে সড়কপথে বাস বা অটোরিকশার মাধ্যমে সহজে যাতায়াত করা যায়। স্থানীয়ভাবে এই ইউনিয়নটি অনেক সময় 'বেরুবাড়ী বাজার' কেন্দ্রিক এলাকা হিসেবেও পরিচিত। এখানকার দর্শনীয় বিষয়ের মধ্যে রয়েছে দুধকুমার নদের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং গ্রামীণ জনপদের শান্ত পরিবেশ। ইউনিয়নের উল্লেখযোগ্য স্থাপনার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উচ্চ বিদ্যালয় এবং স্থানীয় ধর্মীয় উপাসনালয়। এই অঞ্চলে কোনো দেশবিখ্যাত ব্যক্তির জন্ম বা কর্মস্থলের সুনির্দিষ্ট তথ্য না থাকলেও, এখানকার মানুষ ঐতিহ্যগতভাবে কৃষি ও ব্যবসার সাথে জড়িত। বর্ষাকালে নদের পানি বাড়লে এলাকাটির ভৌগোলিক রূপ কিছুটা পরিবর্তিত হয়, যা স্থানীয়দের জীবনযাত্রায় ভিন্নমাত্রা যোগ করে।

00
মোগলবাসা ইউনিয়ন
কুড়িগ্রাম সদর, কুড়িগ্রাম

মোগলবাসা ইউনিয়ন

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক এলাকা হলো মোগলবাসা ইউনিয়ন। কুড়িগ্রাম মূল শহর থেকে প্রায় ১০-১২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই ইউনিয়নে যাতায়াতের জন্য সড়কপথই প্রধান মাধ্যম। ভৌগোলিকভাবে এটি ধরলা নদীর অববাহিকার কাছাকাছি হওয়ায় এলাকাটি কৃষিপ্রধান এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা। স্থানীয়ভাবে এই ইউনিয়নের কিছু এলাকা বা বাজার ভিন্ন নামে পরিচিত হলেও প্রশাসনিকভাবে এটি মোগলবাসা নামেই সমাদৃত। এলাকাটিতে বেশ কিছু গ্রামীণ হাট ও ধর্মীয় স্থাপনা রয়েছে যা স্থানীয় জনজীবনের কেন্দ্রবিন্দু। মোগলবাসার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া নদী ও বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ এখানকার প্রাকৃতিক পরিবেশকে মনোরম করে তুলেছে। যদিও এটি কোনো পর্যটন কেন্দ্র নয়, তবে এখানকার শান্ত গ্রামীণ পরিবেশ ও ঐতিহ্যবাহী জীবনধারা দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। কুড়িগ্রাম সদরের সাথে উন্নত সড়ক যোগাযোগ থাকায় স্থানীয়রা খুব সহজেই জেলা শহরে যাতায়াত করতে পারেন। এই জনপদটি তার সহজ-সরল মানুষ এবং কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির জন্য পরিচিত।

00
ভিতরবন্দ ইউনিয়ন
নাগেশ্বরী, কুড়িগ্রাম

ভিতরবন্দ ইউনিয়ন

কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক অঞ্চল হলো ভিতরবন্দ ইউনিয়ন। ভৌগোলিকভাবে এটি দুধকুমার ও সংকোষ নদীর অববাহিকায় অবস্থিত একটি উর্বর জনপদ। ঐতিহাসিক গুরুত্বের কারণে এই স্থানটি স্থানীয়ভাবে ‘ভিতরবন্দ জমিদার বাড়ি’ এলাকা হিসেবেও পরিচিত। কুড়িগ্রাম জেলা শহর থেকে এর দূরত্ব প্রায় ২০-২২ কিলোমিটার; বাস বা সিএনজিযোগে নাগেশ্বরী হয়ে সহজেই এখানে যাতায়াত করা যায়। এই ইউনিয়নের প্রধান দর্শনীয় স্থান হলো ঐতিহাসিক ভিতরবন্দ জমিদার বাড়ি ও এর সংলগ্ন প্রাচীন স্থাপত্যসমূহ। এছাড়া এখানকার প্রাকৃতিক পরিবেশ ও গ্রামীণ জনপদ পর্যটকদের মুগ্ধ করে। অতীতে এই অঞ্চলটি একটি সমৃদ্ধ পরগনা ছিল, যার প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল ভিতরবন্দ। যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নত হওয়ায় বর্তমানে এটি নাগেশ্বরী উপজেলার অন্যতম জনবহুল ও কর্মচঞ্চল এলাকা হিসেবে পরিচিত।

00
টগরাই হাট
কুড়িগ্রাম সদর, কুড়িগ্রাম

টগরাই হাট

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার টগরাই হাট একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্র, যা স্থানীয়ভাবে ‘টগরাইয়ের হাট’ নামেই পরিচিত। কুড়িগ্রাম মূল শহর থেকে প্রায় ৫-৬ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত এই স্থানটি যাতায়াতের জন্য কুড়িগ্রাম-রংপুর মহাসড়কের ওপর হওয়ায় অত্যন্ত সুবিধাজনক। সড়কপথে অটোরিকশা বা বাসযোগে খুব সহজেই এখানে পৌঁছানো যায়। ভৌগোলিকভাবে এটি একটি জনবহুল এলাকা, যেখানে নিয়মিত হাটবারগুলোতে স্থানীয় কৃষিপণ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের ব্যাপক কেনাবেচা হয়। এই হাটের পাশেই রয়েছে টগরাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও স্থানীয় মসজিদ, যা এলাকাটির সামাজিক ও শিক্ষামূলক কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। এলাকাটি মূলত কৃষিপ্রধান হলেও এর বাণিজ্যিক গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। কুড়িগ্রামের অন্যান্য স্থানের মতো এখানেও স্থানীয়দের আড্ডার কেন্দ্রবিন্দু রয়েছে, যা গ্রামীণ জনজীবনের প্রাণচাঞ্চল্য ধরে রাখে। যদিও এই স্থানটি কোনো বিশেষ দর্শনীয় স্থাপনার জন্য পরিচিত নয়, তবে কুড়িগ্রামের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ও অর্থনীতির অন্যতম সংযোগস্থল হিসেবে টগরাই হাটের ভূমিকা অনস্বীকার্য।

00

118 ফলাফল · পৃষ্ঠা 1 এর মধ্যে 14

…