ফটিকছড়িফটিকছড়ি(Upazila)
ফটিকছড়ি উপজেলা চট্টগ্রাম জেলার একটি প্রশাসনিক এলাকা এবং এটি জেলা সদর থেকে উত্তর দিকে অবস্থিত।
স্থানটি দেশের অন্যতম বৃহত্তম উপজেলা, ঐতিহ্যবাহী চা বাগান এবং বিশাল আয়তনের জন্য পরিচিত।
একনজরে
- আয়তন
- ৭৭৩.২১ বর্গকিলোমিটার
- জনসংখ্যা
- ৫,২৯,৭১৬ জন (২০২২ আদমশুমারি)
- ইউনিয়ন সংখ্যা
- ১৮টি
- সীমানা
- উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য ও রামগড় উপজেলা, দক্ষিণে হাটহাজারী ও রাউজান উপজেলা, পূর্বে রামগড়, নাজিরহাট ও মানিকছড়ি উপজেলা, পশ্চিমে সীতাকুণ্ড ও মীরসরাই উপজেলা
- প্রধান নদী
- হালদা, ধুরং ও ফেনী
- পোস্ট কোড
- ৪৩৫০
- সাক্ষরতার হার
- ৭৬.০৫ শতাংশ
- প্রধান পেশা
- কৃষি, চাকরি ও ব্যবসা
- প্রধান ফসল
- ধান, চা ও রাবার
ফটিকছড়ি উপজেলার উত্তর ও পূর্বে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য ও খাগড়াছড়ি জেলার বিভিন্ন অংশ অবস্থিত। এখানকার নানুপুর ও বিবিরহাট বাজার অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
উপজেলার ওপর দিয়ে হালদা ও ধুরং নদী প্রবাহিত হয়েছে যা এখানকার ভূপ্রকৃতি ও কৃষিকাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এছাড়া এখানে পাহাড়ি অঞ্চল ও সমভূমির বৈচিত্র্য রয়েছে।
এই উপজেলায় বেশ কিছু ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় স্থাপনা রয়েছে, যার মধ্যে হযরত আউলিয়া মাজার এবং প্রাচীন বিভিন্ন মসজিদ ও মন্দির উল্লেখযোগ্য। মুক্তিযুদ্ধের সময় এই এলাকায় বেশ কয়েকটি প্রতিরোধ যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।
এখানে উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ফটিকছড়ি ডিগ্রি কলেজ, নানুপুর লায়লা কবির কলেজ, জামেউল উলুম মাদরাসা এবং ভুজপুর ন্যাশনাল স্কুল। চিকিৎসাসেবার জন্য এখানে ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স রয়েছে।
চট্টগ্রাম শহর থেকে সড়কপথে বাস বা সিএনজিচালিত অটোরিকশার মাধ্যমে ফটিকছড়িতে সহজে যাতায়াত করা যায়। নাজিরহাট পর্যন্ত রেলযোগেও যাতায়াতের ব্যবস্থা রয়েছে।
এলাকার উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্বের মধ্যে রয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের গুণীজনেরা।


💬মন্তব্যসমূহ(0)
✏️মন্তব্য করুন